• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৮ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

টিপু সুলতান মসজিদের ইমামকে অপসারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিতর্কিত মুসলিম ধর্মগুরু মৌলানা নুর-উর রহমান বরকতিকে কলকাতার টিপু সুলতান মসজিদের শাহি ইমাম পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে। বুধবার টিপু সুলতান মসজিদ কর্তৃপক্ষ বরকতিকে ইমাম পদ থেকে সরিয়ে দেয়। ইতিমধ্যেই বরকতির কাছে বহিস্কারের একটি চিঠিও পাঠানো হয়েছে।

সাম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রীসহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বরকতির ফতোয়া জারি করা, ভারত বিরোধী মন্তব্য করা, বিচার ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তোলা এবং কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশের পরও নিজের গাড়ি থেকে লাল বাতি সরিয়ে না নেয়া নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক তৈরি হয়। সেই প্রেক্ষিতেই তাঁকে বহিস্কার করা হয়।

ধর্মীয় বিভেদমূলক ও রাষ্ট্রবিরোধী মন্তব্য করার অভিযোগ কয়েকদিন আগেই ইমাম পদ থেকে মমতা ব্যানার্জির ঘনিষ্ঠ বরকতিতে অপসারণের প্রক্রিয়া শুরু হয়। এরপর বুধবারই বরকতিকে অপসারণের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।

এব্যাপারে মসজিদ ট্রাস্টি বোর্ডের প্রধান শাহজাদা আনোয়ার আলি শাহ জানান, ‘বিতর্কিত ও প্ররোচনা মূলক মন্তব্য করার জন্য বরকতিকে ইমামের পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে’।

উল্লেখ্য, প্রায় তিন দশক ধরে টিপু সুলতান মসজিদের ইমাম ছিলেন তিনি। রাজ্যের রাজনীতিতেও তাঁর যথেষ্ট প্রভাব ছিল। বিশেষত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কাছে তাঁর অনেক গ্রহণযোগ্যতা ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক কালে কিছু ঘটনার প্রেক্ষিতে নিজের সেই অবস্থান হারিয়ে ফেলেন বরকতি।

গত জানুয়ারী মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মাথা কামানোর ফতোয়া জারি করেছিলেন বরকতি। এরপর থেকে কখনও সালমান রুশদি, বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিন আবার কখনও কানাডার বিশিষ্ট কলমিস্ট তারেক ফাতেক’কে নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করে বিতর্ক তৈরি করেছেন বরকতি। কিন্তু মমতার ঘনিষ্ঠ হওয়ায় কেউই তাকে কিছু করতে পারছিলেন না। গত সপ্তাহে ভারত বিরোধী মন্তব্য করায় অত্যন্ত সমালোচিত হন বরকতি। ‘ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা হলে দেশের ২৫-৩০ কোটি মুসলিমদের নিয়ে পাকিস্তানের হয়ে লড়াই করার হুমকি দেন তিনি। পাশাপাশি পাকিস্তানের হয়ে জিহাদ করবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন বরকতি। এরপরই ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা। নিজে না নেমে মন্ত্রিসভার সদস্য সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীকে দিয়ে ওই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়। বিভিন্ন অভিযোগে গত কয়েকদিনে থানায় একাধিক অভিযোগও করা হয় বরকতির বিরুদ্ধে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ